মাসব্যাপী সাইবার সচেতনতা: ক্যাম-২০২০ এ কিভাবে কী করবেন

বিশ্বব্যাপী পরিচালিত এই ক্যাম্পেইনের এ বছরের মূল প্রতিপাদ্য – ‘নেটওয়ার্কযুক্ত ডিভাইসের সুরক্ষা, ব্যবহারকারীর প্রতিরক্ষা’ ( ‘IF YOU CONNECT IT, PROTECT IT’) । ইন্টারনেটে বা অফলাইনে অন্যান্য গ্যাজেটের সঙ্গে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোকে নিরাপদ এবং বহিরাগত কোনো প্রভাব থেকে সুরক্ষিত রাখার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে এই প্রতিপাদ্য প্রণয়ন করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিরিটি ও ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি অ্যালায়েন্সের যৌথ নেতৃত্বে পরিচালিত বৈশ্বিক এই ক্যাম্পেইনের অফিসিয়াল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন (সিসিএ ফাউন্ডেশন)। ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশে এই কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে বাস্তবায়ন করে আসছে সংগঠনটি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, সমিতি, অলাভজনক সংগঠন ও ব্যক্তি পর্যায়ে সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা তৈরিতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা হিসেবে বিশ্বব্যাপী এই ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়।

অন্যান্য সময়ের চেয়েও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে কার্যকরী যোগাযোগ নিশ্চিতকরণে ও ভালো থাকা নিশ্চিত করতে অনলাইন ও অফলাইনে সংযুক্ত ভিভাইসগুলোর সমন্বিত ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত, সাইবার অপরাধী বা হ্যাকাররা আমাদের ব্যবহৃত ডিভাইসের তথ্যের উপর ভিত্তি করে একজন ব্যক্তি বা ব্যবসায় সম্পর্কিত সুনির্দিষ্ট ও অতি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নেতিবাচক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে পারে। ‘সাইবার সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবর-২০২০’ এ জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকি সম্পর্কে সাধারণ মানুষকে সচেতন করার পাশাপাশি ব্যবহৃত সাধারণ ডিভাইসগুলোর ন্যূনতম নিরাপত্তার ব্যবস্থা গ্রহণের উপায় সম্পর্কে মানুষকে নির্দেশনা দেয়ার উদ্দেশ্যে গুরুত্বারোপ করে উদযাপন করা হবে।

এই বছর সাইবার সচেতনতা মাসের কর্মসূচি চার ভাগে বাস্তবায়ন হবে। মাসব্যাপী কর্মসূচিতে নিম্নে উল্লেখিত বিষয়ে আলোকপাত করা হবে-

১) সংযুক্ত ডিভাইস ও হোম নেটওয়ার্কের সাধারণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো বোঝা ও মেনে চলা

২) রিমোট ওয়ার্কারদের ক্ষেত্রে সংযুক্ত ডিভাইসের নিরাপত্তার গুরুত্ব

৩) ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যখাতে সংযুক্ত ডিভাইসের গুরুত্ব

৪) ইউজার, প্রফেশনাল এবং পাবলিক ডোমেইনের ক্ষেত্রে সংযুক্ত ডিভাইসের ভবিষ্যত রূপকল্প

 

সিসিএ ফাউন্ডেশন মনে করে, শক্তিশালী নিরাপত্তা ব্যবস্থার চর্চা, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং ঝুঁকিপ্রবণ ব্যবহারকারীদের ও সংস্থার কর্মীদের এ বিষয়ে জ্ঞান অর্জন- এই তিনটি ক্ষেত্রে যে যার দায়িত্ব পালন করলেই একটি নিরাপদ আন্তঃসংযুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলা সম্ভব হবে, ঝুঁকি মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।

 

বাংলাদেশে সাইবার অপরাধের প্রবণতা নিয়ে সবশেষ গবেষণা প্রতিবেদন পেতে এই ওয়েব লিংক দেখুন: https://ccabd.org/wp-content/uploads/2019/09/Research_Report_Cybercrime_2019_CCA-Foundation.pdf?fbclid=IwAR1FU0xYpVNu4CD4PZ4Ue-U-xxb2bNEFP1hI5G8qxdnuAACE9Ca15zDcjhE

 

অক্টোবর (১-২): কার্যক্রমের সূচনা

আপনাদের সবাইকে নিজেদের সাধ্যমতো আয়োজনের মাধ্যমে ‘সাইবার সচেতনতা মাস (ক্যাম) অক্টোবর-২০২০’  উদযাপনের আহ্বান জানাচ্ছে সাইবার ক্রাইম অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন। এই মাসে সব ইউজারকে তাদের সংযুক্ত ডিভাইসের সুরক্ষায় যে যার জায়গা থেকে দ্বায়িত্ব পালনের আহ্বান করা হচ্ছে। Do Your Part, #BeCyberSmart #প্রযুক্তির_নিয়ন্ত্রিত_ব্যবহারে_সাইবার_স্মার্ট_হোন

 

প্রয়োজনী কিছু তথ্য:

:: হ্যাকার প্রতি ২৯ সেকেন্ডে একবার, একদিনে গড়ে ২,২৪৪ বার আক্রমণ করে (ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড)

:: আমেরিকার ৫৬% মানুষ জানে না , ডাটার সুরক্ষা তাকে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে (ভারোনিস)

:: ৪৬% সংস্থায় সাধারণত ইমেলের মাধ্যমে ক্ষতিকারক ম্যালওয়ার ফাইল আসে  (ভেরিজোন ২০০২ ডাটা ব্রিচ ইনভেস্টিগেশনস রিপোর্ট)

 

মূল ধারণা:

:: সাইবার সুরক্ষায় ব্যক্তিগত উদ্যোগের গুরুত্ব

:: সাইবার সিকিউরিটির বর্তমান প্রেক্ষাপট (সিসিএ ফাউন্ডেশনের ২০১৯ সালের গবেষণা প্রতিবেদন দেখুন)

:: কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্যে অংশগ্রহণমূলক সাইবারসিকিউরিটি প্রশিক্ষণ আয়োজনের উপায়

 

সপ্তাহ ১: (অক্টোবর )

প্রতিপাদ্য: ‘নেটওয়ার্কযুক্ত ডিভাইসের সুরক্ষা, ব্যবহারকারীর প্রতিরক্ষা’

‘IF YOU CONNECT IT, PROTECT IT’

 

বর্তমানের পৃথিবীতে অনলাইন ও অফলাইন জীবনের  মধ্যে পার্থক্য টানা খুবই দুষ্কর। পৃথিবীজুড়ে একে অন্যের সঙ্গে সংযুক্ত থাকার এই নেটওয়ার্ক ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক জীবনে বিবিধ সম্ভাবনার পাশাপাশি জন্ম দিয়েছে নানান প্রতিবন্ধকতার। সাইবার সচেতনতা মাসের প্রথম সপ্তাহে তাই ইন্টারনেটে সংযুক্ত বিভিন্ন ডিভাইসের আমাদের জীবনে প্রভাব নিয়ে আলোকপাত করা হবে। পাশাপাশি ডিভাইসের সচেতন ব্যবহারকারী হিসেবে ডিভাইসের নিরাপত্তা ঝুঁকি কমাতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতে উৎসাহিত করবে।

 

প্রয়োজনী কিছু তথ্য

:: সেলুলার ইন্টারনেট অফ থিংস (আইওটি) কানেকশনস্ ২০২৩ সালের মধ্যে ৩ দশমিক ৫ বিলিয়নের ঘরে পৌঁছাবে। এর বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ৩০% (এরিকসন)

:: ২০২১ সালের মধ্যে ২৫ বিলিয়ন কানেকটেড গ্যাজেটস্ /ডিভাইস ব্যবহৃত হবে (গার্টনার)

:: ৬৩% মানুষ দেখেছেন ব্যবহৃত নেটওয়ার্কে যুক্ত ডিভাইসগুলো খুবই বিতর্কিতভাবে মানুষ ও তার আচরণ সম্পর্কিত বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করে। (কনস্যুমার ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড ইন্টারনেট সোসাইটি )

:: ইন্টারনেট সংযোগের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই কানেক্টেড ডিভাইস সাইবার আক্রমণের শিকার হয় এবং ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সফলভাবে টার্গেটেড ডিভাইসের তথ্য হ্যাকারদের হাতে চলে যায়  (নেট স্কাউট)

 

মূল ধারণা

:: আইওটি সিকিউরিটি : ভাল , মন্দ ও কুৎসিতের চিত্র

:: স্মার্ট ডিভাইসের চাই স্মার্ট সিকিউরিটি

:: নতুন স্বাভাবিক অফিস : আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমে কোভিড-১৯ প্রভাব

 

সপ্তাহ ২: (অক্টোবর ১২১৬)

প্রতিপাদ্য: ঘরে ও কর্মক্ষেত্রে ডিভাইসের নিরাপত্তা বিধান

SECURING DEVICES AT HOME AND WORK

 

২০২০ সালে কর্মক্ষেত্রে শিক্ষাদান প্রক্রিয়ায় ও সামাজিকতায় নানান ধরণের ব্যতিক্রম চোখে পড়েছে। আমাদের বাসাবাড়ি, ব্যবসাপাতি- অনেক বেশি পরিমাণে ইন্টারনেটের আওতায় এসেছে।  অনেক মানুষ এখন ঘরে থেকে কাজ করছে। ফলে বাসা ও কর্মক্ষেত্র – এই দুই পরিবেশ এক ভিন্ন মাত্রায় এসে সমন্বিত হচ্ছে,  যা আমরা আগে কখনো দেখিনি। ফলে এক নতুন ধরণের ঝুঁকি জন্ম নিয়েছে, যা নিয়ে ব্যবহারকারীদের অবশ্যই সদা সর্তক থাকতে হবে। অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তাই ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাজে ব্যবহৃত ডিভাইসের সাইবার সুরক্ষায় ব্যবহারকারী ও সংস্থার করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।

 

প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য 

:: বিশে^র স্মার্ট হোম মার্কেট ২০২৩ সালের মধ্যে ১৪১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াবে (স্টাটিসটা রিসার্চ)

:: ৯২ শতাংশ কর্মজীবির মতে রিমোর্ট ওয়াকিং নিরাপদ করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট সংস্থার। এদিকে ৪২ শতাংশ দাবী করেছে বর্তমান সময়ে প্রচলিত নিরাপত্তা পলিসিসমূহ তাদের কাজ সম্পাদন করার প্রক্রিয়া কঠিন করে দিয়েছে। (ক্যাপিটা)

:: ৯০% আইটি প্রফেশনাল বিশ^াস করেন, যারা দূর থেকে ‘রিমোট ওয়ার্ক’ করছেন তারা অনিরাপদ এবং ৭০ শতাংশ মনে করছেন, অফিসের কর্মীদের চেয়ে রিমোর্ট ওয়ার্কাররা বেশি ঝুঁকিতে ফেলেন। (ওপেন ভিপিএন)

 

 

মূল ধারণা

:: কর্মক্ষেত্রে সমন্বিত ও ক্ষমতায়িত সাইবার সিকিউরিটি সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে

:: কর্মীদের বাসায় থেকে নিরাপদে কাজ করতে প্রয়োজনীয় সুবিধা প্রদান

:: প্রিয়জনের সঙ্গে সাইবার সিকিউরিটি নিয়ে কথা বলা জরুরী।

 

সপ্তাহ ৩: (অক্টোবর ১৯২৩)

প্রতিপাদ্য:  ইন্টারনেটের নিরাপত্তাস্বাস্থ্যসেবায় সংযুক্ত ডিভাইস

SECURING INTERNET-CONNECTED DEVICES IN HEALTHCARE

 

বিশে^র স্বাস্থ্যখাত ধীরে ধীরে  ইন্টারনেট সংযোগযুক্ত ডিভাইসের প্রতি ঝুঁকছে। এতে করে রোগীর উন্নত সেবা, সাংগঠনিক দক্ষতা, জরুরী ক্ষেত্রে সেবাদানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। টেলিমেডিসিন সেবা, ডিজিটাল স্বাস্থ্য ইতিহাস, ইন্টারনেটে সংযুক্ত মেডিক্যাল ডিভাইস, রোগীদের জন্যে অ্যাপস্ এবং স্বাস্থ্যখাতে রোগী ও ডাক্তার ব্যতিত তৃতীয় পক্ষের উপস্থিতি নানান ধরণের সুবিধা এনে দিয়েছে। একইভাবে স্বাস্থ্যখাতকে সাইবার আক্রমণের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে।

সাইবার সচেতনতা মাসের তৃতীয় সপ্তাহে হাসপাতাল, সেবাসদন ও গ্রাহকের ( টেলিমেডিসিন সেবাগ্রহণকারী) নিরাপত্তা, ইন্টারনেট সংযোগযুক্ত ডিভাইসের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি- যে যার দায়িত্ব পালনের উপায় এবং সর্বোপরি #বিসাইবারস্মার্ট ইস্যুকে গুরুত্ব দেয়া হবে।

 

প্রয়োজনী কিছু তথ্য

:: বৈশি^ক স্বাস্থ্যসেবা খাত ২০২৪ সালের মধ্যে ১৪ মিলিয়ন ডলার মূল্যমানে পৌঁছাবে (জিয়ন মার্কেট রিসার্চ)

::  সাইবার অ্যাটাকের ঝুঁকি তালিকার শীর্ষে এখন হাসপাতাল (মুডি’স ইনভেসটরস সার্ভিস)

:: ২০২২ সালের মধ্যে আমেরিকার টেলিমেডিসিন খাত ২২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাবে (স্ট্যাটিসটা রিসার্চ)

 

মূল ধারণা:

:: অনলাইনে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরবর্তী ভিজিটের আগেই যে সাইবার টিপসগুলো জানতে হবে

:: আপনার স্বাস্থ্যতথ্যে কার কার প্রবেশাধিকার আছে?

::  টেলিমেডিসিন : বদলে যাচ্ছে স্বাস্থ্যসেবার খাতের ধরণ

 

সপ্তাহ ৪: অক্টোবর (২৬-৩০)

প্রতিপাদ্য: সংযুক্ত ডিভাইসের ভবিষ্যত 

 THE FUTURE OF CONNECTED DEVICES

 

সাইবার সিকিউরিটি সচেতনতা মাসের চতুর্থ সপ্তাহের বিভিন্ন আয়োজনের মধ্যে দিয়ে সংযুক্ত ডিভাইসের ভবিষ্যত ভাবনা তুলে ধরা হবে। দ্রুততর গতি, তথ্যের দ্রুত আদান প্রদান, হ্যাকারদের আক্রমণের বড় পরিসর ইত্যাদি ক্ষেত্রে গ্রাহক ও ব্যবসায়ের ফাইভজি অনলাইন সুবিধা ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে বদলে যাওয়া কানেক্টিং ডিভাইসের সঙ্গে ব্যক্তি ও অন্যান্য কাঠামো সামঞ্জ্য বিধানের বিষয়ে আলোকপাত থাকবে। ভবিষ্যতে যাই থাকুক না কেন, প্রত্যেক ব্যবহারকারীর যে যার জায়গা থেকে নিজ উদ্যোগে দায়িত্ব পালনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে।

 

প্রয়োজনীয় কিছু তথ্য:  

:: ২০২৩ সালের মধ্যে ৭০ শতাংশ হালকা যান ও মালবাহী ট্রাক ইন্টারনেট সংযোগের আওতায় আসবে (স্ট্যাটিসটা রিসার্চ)

:: আইওটি ( ০০০) ডিভাইস মার্কেট ২০২৬ সালের মধ্যে ১.১ ট্রিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। ( ফরচুন বিজনেস ইনসাইটস)

:: ২০২৪ সালের মধ্যে ফাইভজি কভারেজ পৃথিবীর ৪৫ ভাগ জনগণের আওতায় আসবে (এরিকসন)

 

মূল ধারণা:

:: সাধারণ গ্রাহকের জীবনে ফাইভজি’র প্রভাব

:: স্মার্ট সিটিকে সুরক্ষিত করার এখনি সময়

:: ইন্ডাস্ট্রিয়াল রেভ্যুলুশন ৪.০ :বর্তমানের অবস্থা ও ভবিষ্যতের রুপকল্প

 

অনুলিখন: খালেদা আক্তার লাবনী, ঢাকা